শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

নানা অজুহাতে বাইরে ঘোরাফেরা করছে মানুষ: গুণতে হচ্ছে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৫ জন দেখেছেন
আপডেট : July 28, 2021

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রাজধানীসহ সারাদেশে চলছে দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ।
চলমান বিধিনিষেধের আজ ষষ্ঠ দিনে রাজধানীতে বেড়েছে ব্যক্তিগত যান চলাচল। সব সড়কেই আছে অনেক রিকশাও। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, জরুরী প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই চলাচল করছেন। মানুষ সড়কে আসার পর নানা অজুহাত দিচ্ছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, যারা সড়কে অহেতুক ঘোরাফেরা করছেন তাদেরকে আমরা জরিমানা ও গ্রেফতার করছি।
বুধবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেট, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, সাতরাস্তা, কারওয়ান বাজার, মতিঝিল, খিলগাঁও, বাসাবো ও যাত্রাবাড়ি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ সড়কে মানুষ ও যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা বেশি। মূল সড়কের পাশাপাশি অলিগলিতেও মানুষের অবাধ চলাফেরা করতে দেখা গেছে। তাদের অনেকের মুখে নেই মাস্ক।

জনসাধারণের অযাচিত ঘোরাফেরা বন্ধ করতে নগরীর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
রাজধানীর যাত্রাবাড়িতে কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট মো: কবির হোসেন বলেন, ‘রাস্তায় চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও অনেকে বিনা প্রয়োজনেও রাস্তায় বের হচ্ছেন। আমরা এমন ক্ষেত্রে জরিমানা করছি। আবার কেউ কেউ বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন। তবে জরুরি সেবায় সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা অবাধে চলাচল করতে পারছেন।’

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত কয়েক মাস ধরে বিধিনিষেধ আরোপ করে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে সরকার। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আট দিনের জন্য শিথিল করা হয়েছিল বিধিনিষেধ। এরপর আবার গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে আগামী ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার।

বিধিনিষেধের মধ্যে খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন/প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল কারখানা, কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প-কারখানা ছাড়া বন্ধ আছে সব ধরনের গণপরিবহন, সরকারি ও বেসরকারি অফিস এবং শিল্পকারখানা। বন্ধ রয়েছে দোকান ও শপিংমলও। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষের বাইরে বের হওয়াও নিষেধ।


অন্যান্য সংবাদ