রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আঘাত হানতে পারে কখন পতিত ফ্যাসিস্ট ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাস সংকটে আবারও যমুনা সার কারখানা বন্ধ জামালপুরে কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন মীর শাহে আলম ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধের পথে’ ভূমিমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি স্থগিত হলো প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন সরকার নিজেদের ব্যর্থতা বিরোধীদের ওপর চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত আমির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপালের জামিন নামঞ্জুর যাজকদের যৌন নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে নিউ ইয়র্কের চার্চ ভারতের বন্ডবাজারে ভয়াবহ পতন, বড় বিপদে অর্থনীতি? জামায়াতের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন আলোচনার আহ্বান ইরানের

‘এআই আমাকে ভয় দেখায়’, কেন উদ্বিগ্ন কৃতি শ্যানন?

বিনোদন ডেস্ক / ৫ জন দেখেছেন
আপডেট : October 24, 2026
‘এআই আমাকে ভয় দেখায়’, কেন উদ্বিগ্ন কৃতি শ্যানন?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। তাঁর মতে, এআইয়ের সাহায্যে তৈরি ছবি ও আসল ছবির মধ্যে পার্থক্য করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এতে ব্যক্তিগত অধিকার লঙ্ঘন ও ছবি অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ছে। তাই প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনও যুগোপযোগী করা জরুরি বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬ এ অংশ নিয়ে ‘দ্য মেকিং অব আ মডার্ন স্টার’ শীর্ষক আলোচনায় এআই নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন কৃতি। তিনি বলেন, ‘এআই আমাকে ভয় দেখায়। আমার মনে হয়, অনেকেই এতে ভয় পান। তবে আমি মনে করি, এটি একটি হাতিয়ার, গন্তব্য নয়। বিষয়টি হলো, এটি খুব ধারালো হাতিয়ারের মতো। আর হাতিয়ার যত ধারালো হয়, সেটি তত বিপজ্জনক হতে পারে।’

প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নতুন উদ্ভাবনের বিরোধী নন কৃতি। তবে তাঁর মতে, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে আইনি সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে হবে। এআই দিয়ে কী কী করা সম্ভব, তা মোকাবিলায় মানুষ ও আইনব্যবস্থা কতটা প্রস্তুত, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

কৃতির ভাষায়, ‘আমি প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবনের পক্ষে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সঙ্গে আইনকেও এগিয়ে যেতে হবে। এআই দিয়ে আসলে কী কী করা সম্ভব, তার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত, তা জানি না। ব্যক্তিগত অধিকারের ক্ষেত্রে বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভীতিকর। অনলাইনে যা দেখা যায়, তা সত্যিই ভয় পাওয়ার মতো।’

এআই প্রযুক্তির উন্নতির ফলে কৃত্রিমভাবে তৈরি ছবি এখন অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তব ছবির মতো দেখাচ্ছে। ফলে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কোনও ছবি আসল, নাকি এআই দিয়ে তৈরি; তা শনাক্ত করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী।

এ বিষয়ে কৃতি বলেন, ‘আসল ছবি দেখতে যেমন, এআই দিয়ে তৈরি ছবিও এখন প্রায় তেমন। দুটির মধ্যে পার্থক্য খুবই সামান্য। এআই ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, তার জন্য আমরা আসলে প্রস্তুত নই। এ ক্ষেত্রে কিছু আইন থাকা দরকার।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি বা বিকৃত ছবি ছড়িয়ে পড়লে তা রিপোর্ট করে সরানোর প্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন কৃতি। উদাহরণ হিসেবে ইনস্টাগ্রামের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এআই দিয়ে তৈরি নিজের ছবি শনাক্ত করে সেটি অপসারণের দাবি জানানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

অভিনেত্রীর কথায়, ‘সত্যি বলতে, ইনস্টাগ্রামে আমি যদি কোনো কিছু রিপোর্ট করতে চাই, সেখানে এমন কোনো বিকল্প নেই, যেখানে বলা যাবে, “এটি এআই দিয়ে তৈরি আমার ছবি, তাই এটি রিপোর্ট করে সরিয়ে দেওয়া উচিত।” প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা এখনো তত দ্রুত এগোতে পারছি না।’

কৃতির এই বক্তব্যে এআইয়ের সম্ভাবনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, ছবি ব্যবহারের অধিকার এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে কার্যকর আইনি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ততই ব্যক্তিগত পরিচয় ও ডিজিটাল নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।


অন্যান্য সংবাদ