রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ তিন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কিনবে সরকার ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আঘাত হানতে পারে কখন পতিত ফ্যাসিস্ট ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাস সংকটে আবারও যমুনা সার কারখানা বন্ধ জামালপুরে কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন জাইমা রহমানের জন্মদিনে ৫৪৮ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিলেন মীর শাহে আলম ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় বন্ধের পথে’ ভূমিমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি স্থগিত হলো প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন সরকার নিজেদের ব্যর্থতা বিরোধীদের ওপর চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে: জামায়াত আমির ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপালের জামিন নামঞ্জুর যাজকদের যৌন নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে নিউ ইয়র্কের চার্চ

জামালপুরে কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক / ০ জন দেখেছেন
আপডেট : October 25, 2026
জামালপুরে কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় ইমামের যাবজ্জীবন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার হরিচণ্ডী গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও মক্তবে শিক্ষকতা করতেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ওই মসজিদে আরবি পড়তে যেত ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে কিশোরীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২৮ নভেম্বর, ১ ডিসেম্বর ও ২ ডিসেম্বর কিশোরীকে ধর্ষণ করেন তিনি।

পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর মা ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত এ রায় দেন।


অন্যান্য সংবাদ