রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুবসমাজই দেশের সবচেয়ে বড় মানবসম্পদ ও প্রধান চালিকাশক্তি: রাষ্ট্রপতি তাহসিফের সঙ্গে থাকা সেই তরুণী ৪ দিনের রিমান্ডে হামে আরো ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪১৭ জন রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণের দাবি লেবার পার্টির আশুলিয়ায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক অসন্তোষ, ৫০ কারখানায় ছুটি রাজনৈতিক দলগুলোর দেয়া আয়-ব্যয়ের হিসাবে বড় গড়মিল: টিআইবি নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা চলতে পারবে না: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী পরিবার পরিকল্পনা জোরদারে বছরব্যাপী কার্যক্রম শুরু ১ ডিসেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশ বক্সে আগুন জলবায়ু গবেষণা ও স্টার্টআপে অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ গ্রেপ্তার ২৪ বছর পর ভারতের রেকর্ডে ভাগ বসাল পাকিস্তান পোশাকশ্রমিকদের বেতন নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন আমি মিথ্যা ন্যারেটিভ ছিঁড়েছি: রাশেদ খাঁন বাংলাদেশের হার, দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ে জমে উঠল ফাইনালের লড়াই

২৪ বছর পর ভারতের রেকর্ডে ভাগ বসাল পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক / ১ জন দেখেছেন
আপডেট : November 1, 2026
২৪ বছর পর ভারতের রেকর্ডে ভাগ বসাল পাকিস্তান

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শুধু ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপাই জেতেনি পাকিস্তান, ওয়ানডে ক্রিকেটে গড়েছে বিশেষ এক কীর্তিও। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের গড়া রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছে তারা। শনিবার (অক্টোবর) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে এই কীর্তি গড়ে স্বাগতিকরা। খবর এনডিটিভির।

ফাইনালে শ্রীলঙ্কার দেয়া ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪৮.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৩১ রান করে পাকিস্তান। হাতে ৯ বল ও ৩ উইকেট রেখেই জয় নিশ্চিত করে তারা। ওয়ানডে ক্রিকেটে বহুজাতিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে এটিই যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড।

এর আগে ২০০২ সালে লর্ডসে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতেছিল ভারত। দীর্ঘ ২৪ বছর পর একই কীর্তি গড়ল পাকিস্তান।

ফাইনালে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়
ভারত বনাম ইংল্যান্ড—৩২৬ রান (২০০২, লর্ডস)
পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা—৩২৬ রান (২০২৬, লাহোর)
ভারত বনাম পাকিস্তান—৩১৫ রান (১৯৯৮, ঢাকা)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাকিস্তান—২৮৫ রান (১৯৯৩, শারজাহ)
নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত—২৭৭ রান (২০০৫, হারারে)

পাকিস্তানের জয়ের নায়ক ফখর জামান। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৯৯ বলে ১২৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও ৬টি ছক্কা। এই সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে ওয়ানডে ফাইনালে দুটি শতক করা দ্বিতীয় পাকিস্তানি ব্যাটার হলেন ফখর।

৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পাকিস্তান। মাত্র ৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন মাজ সাদাকাত। এরপর কোনো রান না করেই আউট হন বাবর আজম। মাত্র ১৪ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

এরপর উইকেটরক্ষক ব্যাটার সাদ বাইগকে নিয়ে দলের হাল ধরেন ফখর জামান। তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ১৪৯ রান। ৭৫ বলে ৭৪ রান করে বাইগ আউট হলে ভাঙে এই জুটি। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার।

তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে রান তুলতে থাকেন ফখর। তুলে নেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রানে দিলশান মাদুশঙ্কার বলে আউট হন তিনি। তখন পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২২০ রান। এরপর ১৭ রান করে সালমান আগাও ফিরে গেলে ২৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে পাকিস্তান।

এ অবস্থায় দলের হাল ধরেন হাসান নওয়াজ ও আরাফাত মিনহাস। ষষ্ঠ উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৯৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৩১ বলে ৬১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন মিনহাস। তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা। অন্যদিকে ৪৫ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন হাসান নওয়াজ।

দলীয় ৩২৪ রানে আউট হন মিনহাস। এরপর প্রথম বলেই কোনো রান না করে ফেরেন ফাহিম আশরাফ। ফলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন পড়ে মাত্র ২ রান, হাতে তখনো ৩ উইকেট। অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

এর আগে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩২৫ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন কামিন্দু মেন্ডিস।


অন্যান্য সংবাদ