শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

সরকারি কর্মকতাদের গ্রেফতার করতে অনুমতি বাতিলের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

রিপোর্টারের নাম : / ৬৩ জন দেখেছেন
আপডেট : September 1, 2022

সরকারি কর্মকতাদের গ্রেফতারে অনুমতি বাতিলের বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় স্থগিত করলো আপিল বিভাগ।
সরকারি কর্মচারী গ্রেফতারে পূর্বানুমতি বাতিলের রায় আপিলে স্থগিত।
সরকারি কর্মচারীরা ফৌজদারি অপরাধ করলে তাদের গ্রেফতার করতে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে এই আবেদনের ওপর পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৩ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জাগো নিউজকে বলেন, হাইকোর্টের রায় ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। এ সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল করতে বলা হয়েছে।

স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদনের বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন বলেছিলেন, অনেক সময় দেখা যায়, সরকারি কর্মচারীদের অযথা হয়রানির জন্য মিথ্যা মামলা করা হয়। মামলার পর তাকে যদি গ্রেফতার করা হয়, পরে তিনি যদি মামলায় খালাস পান, তাহলে তার মধ্যে এক ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই ভোগান্তি নিরসন ও সরকারি কাজের সুবিধার জন্য আইনটি করা হয়। এসব দিক সামনে রেখে রায় স্থগিত চেয়ে আবেদনটি করা হয়।

সরকারি কর্মচারীরা ফৌজদারি অপরাধ করলে তাদের গ্রেফতার করতে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে বুধবার আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দিন ঠিক করেছিলেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীমের চেম্বার আদালত। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

সেটি আজ শুনানি ‍নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট সরকারি কর্মচারীরা ফৌজদারি অপরাধ করলেও তাদের গ্রেফতার করতে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বিধান বাতিল করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ সুবিধাসংক্রান্ত আইনের ৪১ (১) ধারাটি সংবিধান পরিপন্থি বলে তা বাতিল করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিধান সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করেন আদালত।

গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়ার বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে এ রায় দেন আদালত।০১৮ সালের নভেম্বরে সরকারি চাকরি আইন প্রণয়ন করা হয়। ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একই বছরের ১ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়।


অন্যান্য সংবাদ