মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১২:২৯ অপরাহ্ন

সিরিজ খোয়াল বাংলাদেশ

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : জুলাই ৮, ২০২২

নিকোলাস পুরান ও কাইল মায়ার্সের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এতে টেস্টের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজটিও খোয়াল সফরকারীরা।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে আফিফ হোসেনের ফিফটি আর লিটন দাসের ৪৯ রানে ১৬৩ রান তোলে বাংলাদেশ দল। ১৬৪ রানে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বোলারদের ওপর চেপে বসে স্বাগতিকরা। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ফিফটির দেখা পেয়েছেন কাইল মায়ার্স আর অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। এতে ৫ উইকেট আর ১০ বল হাতে রেখেই জয় পায় উইন্ডিজ। এর আগে প্রথম ম্যাচ ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছিল ৩৫ রানের ব্যবধানে।

দলের যখন ৯ রান, তখন ব্রেন্ডন কিংকে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন নাসুম আহমেদ। ৫ বলে ৭ রান করে আউট হন কিং। এরপর জুটি বাধেন কাইল মায়ার্স এবং সামারাহ ব্রুকস। দলীয় ২২ রানের মাথায় মাহদি হাসানের বলে সামারাহ ব্রুকসের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরেন এনামুল হক বিজয়। ১২ বলে ১২ রান করে আউট হন ব্রুকস। এতে চাপে পড়ে
ক্যারিবীয়রা।

সাত নাম্বার ওভারে বল করতে এসেই প্রথম বলেই ওডেন স্মিথকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। এরপর কাইল মায়ার্স আর নিকোলাস পুরান মিলে ৮৫ রানের জুটি গড়ে স্বাগতিকদের ভালোভাবেই লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন। ৩৮ বলে ৫৫ রান করে নাসুম আহমেদের বলে আউট হন মায়ার্স। এরপর রোভম্যান পাওয়েলকে লিটনের ক্যাচে পরিণত করেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ৩৯ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন নিকোলাস পুরান।

এর আগে টস জিতে ব্যাট কর‍তে নেমে ওপেনার লিটন দাস শুরুটা ভালো করে। তবে আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় এদিনও সুবিধা করতে পারেননি। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ওডিন স্মিথকে মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আকিলের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন ১১ বলে ১০ রান করে। সাকিব আল হাসানও রানের দেখা পাননি। নিজের খেলা তৃতীয় বলে আউট হন স্মিথের দারুণ এক ক্যাচে। ৫ রান করে ফেরেন সাকিব।

এরপর আফিফ হোসেনকে নিয়ে দলকে টেনে তোলেন লিটন। পরে ৪১ বলে ৪৯ রান করে ফেরেন লিটন। এরপর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে নতুন জুটি গড়ে হাত খুলে ব্যাট চালিয়ে খেলেন আফিফ। তাতে নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি পেয়ে যান তিনি। ৪৯ থেকে দৌড়ে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউটে কাটা পড়েন। এতে সমান ৫০ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এর ২ বল আগে আউট হন মাহমুদউল্লাহ। ২০ বলে ২২ রান আসে অধিনায়কের ব্যাট থেকে।

শেষদিকে নুরুল হাসান সোহানের ২ এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ৬ বলে ১০ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ দল।

ক্যারিবীয়দের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন স্পিনার হেইডেন ওয়ালশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ