মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

১৬ পোশাক কারখানার ক্ষতি এক হাজার কোটি টাকা

রিপোর্টারের নাম : / ৩৯ জন দেখেছেন
আপডেট : June 5, 2022

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুনের পর বিস্ফোরণে শুধুমাত্র পোশাক প্রস্তুতিকারী ১৬টি কোম্পানির ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে রফতানির জন্য প্রস্তুত করা এবং আমদানি করা বহু পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন পোশাকখাত সংশ্লিষ্টরা।

রবিবার (৫ জুন) বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত কারখানাগুলো হলো-শিনশিন অ্যাপারেলস, সি ব্লু, টিটেক্স, আরো ফ্রেবিক্স, ক্লিফটন অ্যাপারেল, ভেনুশুনা, সুজি ফ্যাশন, ইভাল ফ্যাশনস, সেনটেক্স, ফোর এইচ গ্রুপ, জেএসকে সুয়েটার, অনন্ত অ্যাপারেলস, চৈতি অ্যাপারেলস, প্যাসিফিক জিন্স, ইমপ্রেস এবং এমকে সুয়েটার।

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) সচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব জানান, বিএম কনটেইনার ডিপোতে দুর্ঘটনার সময়ে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি কনটেইনার ছিল। এরমধ্যে অন্তত এক হাজার ৩০০ কনটেইনারে আমদানি ও রফতানিপণ্য ছিল। পণ্যভর্তি এসব কনটেইনারের অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুড়ে ছাই হয়েছে আমদানি করা বহু পণ্য।

তিনি আরও জানান, বেশি পুড়েছে রফতানির জন্য প্রস্তুত করে রাখা পণ্য। রফতানির জন্য কনটেইনার ভর্তি করে রাখা অনেক পোশাক ছিল। সেগুলো রফতানির নির্ধারিত সময় (লিড টাইম) ছিল। কিন্তু পোশাক পুড়ে যাওয়ায় রফতানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। নির্ধারিত সময়ে রফতানি করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বিএমের ডিপোতে বেশি ক্ষতি হয়েছে রফতানির উদ্দেশ্যে কনটেইনার বোঝাইকরা পণ্য। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার রফতানিপণ্য পুড়েছে। তবে আগুনে ঠিক কতটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য পুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। এখন পর্যন্ত আমরা ১৬টি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নাম পেয়েছি।

কারণ কি পরিমাণ পণ্য এই ডিপোতে আছে এবিষয়ে তথ্য জানতে বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সব তথ্য পাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হবে।


অন্যান্য সংবাদ