রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

আজমির শরিফে কঠোর নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম : / ২৯ জন দেখেছেন
আপডেট : September 8, 2022

 

ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে আজমির শরিফ সফর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সেখানে পৌঁছান তিনি। আজমিরে সুফি সাধক খাজা মঈনুদ্দিন চিশতির দরগায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এসেছে, দরগায় লালগালিচায় স্বাগত জানানো হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে। এরপর মাজার জিয়ারত করেন তিনি। নিরাপত্তার স্বার্থে দরগায় অন্য কোনও ভক্তকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। সেখানকার বাজারও বন্ধ রাখা হয়।

এর আগে শেখ হাসিনা ও তার প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের একটি বিশেষ বিমানে জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বিডি কাল্লাসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমের বরাতে সংবাদ সংস্থা বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে রাজস্থানের জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

গত ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ দেশে ফিরবেন তিনি।

শেখ হাসিনার সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে সম্পাদিত হয়েছে সাত সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ)। মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দিল্লির হায়দারাবাদ হাউজে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে উভয়পক্ষের কর্মকর্তারা এসব সমঝোতা স্মারকে সই করেন। এসব চুক্তি ভারত-বাংলাদেশের বহুমুখী সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা।

 


অন্যান্য সংবাদ