রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

এক কোটি পরিবার পাবে টিসিবির পণ্য : বাণিজ্যমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম : / ৩২ জন দেখেছেন
আপডেট : August 2, 2022

সরকার ভর্তুকিমূল্যে এক কোটি পরিবারকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য দেবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে এই পণ্য। এই কার্ডে একজন সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আজ মঙ্গলবার টিসিবির পণ্য বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করে এসব কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী পণ্য বিক্রিতে কোনো ধরনের অনিয়ম ও কারসাজি হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘টিসিবি প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৬৫ টাকা ও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি করবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে আবারও টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু হলো। এতে হয়তো পুরো একটা ফ্যামিলির চলতে কষ্ট হবে, তবে সাশ্রয়ী হলে সম্ভব হবে।’

এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম (রাষ্টন) উপস্থিত ছিলেন।

পুরো আগস্ট মাস জুড়ে সারাদেশে এই কার্যক্রম চলবে। বিক্রয় কার্যক্রম কেবল মহানগরী ও আঞ্চলিক কার্যালয় সংশ্লিষ্ট জেলাসমূহে পরিচালনা করা হবে। ডিলারের দোকান কিংবা নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে সিটি করপোরেশন এবং জেলা ও উপজেলায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে বিক্রয় কার্যক্রম।


অন্যান্য সংবাদ