শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশ বিদেশের সর্বস্তরের জনগনকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম নজু রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংস্কার কমিশনের আলোচনা ফেব্রুয়ারিতে চার সংস্কার কমিশন সুপারিশমালা জমা সাইবার আইনের প্রত্যাহার হচ্ছে ৫৮১৮ মামলা নদী দূষণমুক্ত করা গেলে পরিবেশ উন্নত হবে ২৫ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক অফিস আদালত খুলেছে, যানচলাচল স্বাভাবিক ছাগলকাণ্ডে মতিউর ও তার স্ত্রী এবং সন্তানদের ব্যাংক হিসাব স্থগিত বরুড়ায় মামার বিরুদ্ধে ভাগিনার প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ! মোশারফ প্যারিস অলিম্পিকে ডাক পেলেন অলিম্পিক রিংয়ে সাজবে আইফেল টাওয়ার প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা! বরিশাল প্লে-অফে শক্তিশালী হচ্ছেন রওশন, দুর্বল জিএম কাদের! খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে

লিবিয়ার রাজধানীতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ২৩

রিপোর্টারের নাম :
আপডেট : আগস্ট ২৮, ২০২২

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে রাজনৈতিক বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটেছে। শনিবার (২৭ আগস্ট) দেশটিতে এই প্রাণঘাতী সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২৩ জন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিজেদের মধ্যে শত্রুতা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। রবিবার (২৮ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

দেশটির দীর্ঘদিনের শাসক কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হন ২০১১ সালে। সামরিক জোট ন্যাটো-সমর্থিত বিদ্রোহের এ ঘটনার পর থেকে লিবিয়ায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সেই থেকে দেশটিতে অস্থিতিশীলতা চলছে। তবে গত দুই বছরে তুলনামূলকভাবে শান্ত সময় পার করেছে লিবিয়া।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রিপোলির বিভিন্ন এলাকায় ছোট অস্ত্রের মাধ্যমে গুলিবর্ষণ ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। শহরজুড়ে কালো ধোঁয়া উঠতেও দেখা যায়।

লিবিয়ার জরুরি পরিষেবাগুলো জানিয়েছে, সংঘর্ষের পর আশপাশের এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের লিবিয়া মিশন বলেছে, ‘দুই রাজনৈতিক দলের মধ্যে যুদ্ধে ‘বেসামরিক জনবহুল আবাসিক এলাকায় নির্বিচারে মাঝারি এবং ভারী গোলাবর্ষণ’ করা হয়েছে। একইসঙ্গে অবিলম্বে সংঘর্ষ বন্ধ করার আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।’

বিবিসি বলছে, তেল-সমৃদ্ধ এই দেশটির জীবনযাত্রার মান একসময় ছিল আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেসময় এই দেশটিতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা এবং বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগও ছিল।

২০১১ সালের পর থেকে কার্যত নষ্ট হয়ে গেছে লিবিয়ার স্থিতিশীলতা। ওই বছরের পর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী বাহিনীগুলোর মধ্যে ঘন ঘন লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছে ত্রিপোলি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ