বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

দুস্থদের ভিজিডি কার্ড পেলেন সরকারি স্কুল শিক্ষকের স্ত্রী

রিপোর্টারের নাম : / ৩৩ জন দেখেছেন
আপডেট : April 7, 2023

বরগুনার তালতলীতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় দুস্থ মহিলা উন্নয়ন (ভিজিডি) তালিকায় মিলেছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের স্ত্রীর নাম। এরই মধ্যে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তালুকদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা শাহ নেওয়াজ সেলিম। তিনি মেনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার স্ত্রী সালমা বেগমের নামে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভিজিডি কার্ড করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন তালুকদার পাড়া গ্রামের গৃহবধূ খাদিজা বেগম।

লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার পরিবার হতদরিদ্র-দুস্থ। তার তিনটি সন্তান রয়েছে। আয়-রোজগার করার কোনো মাধ্যম নেই। তার নামে ভিজিডি কার্ড নেই। তবে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীরা ভিজিডি কার্ড পেয়েছেন।

জানতে চাইলে সালমা বেগমের স্বামী শাহ নেওয়াজ সেলিম বলেন, ‘আমার স্ত্রীর নামে ভিজিডি কার্ড আছে। আমাদের নাম দিয়েছে চেয়ারম্যান।’

এ বিষয়ে বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন (আলম মুন্সি) বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই কার্ড বাতিলের জন্য রেজুলেশন করে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।’

তালতলী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রূপ কুমার পাল বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভিজিডির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষকের স্ত্রীর নামে ভিজিডি কার্ডটি বাতিল করার প্রক্রিয়া চলছে।


অন্যান্য সংবাদ