বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

গ্রেনেড হামলার বিভীষিকা এখনও জ্বলজ্বলে হতাহতদের চোখে

রিপোর্টারের নাম : / ২৭ জন দেখেছেন
আপডেট : August 21, 2022

শুধু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীই নয়, দেশের মানুষও কোনদিন ভুলতে পারবে না গ্রেনেড হামলার সেই ভয়াবহতা। সন্ত্রাস বিরোধী শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কয়েক সেকেন্ডেই ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দি হয় রক্তাক্ত ইতিহাস হয়ে।

২১ আগস্টের সে ঘটনা যারা একেবারে কাছে থেকে দেখেছেন প্রায় দেড় যুগ পরও এতটুকুও পুরনো হয়নি তাদের সেই দুঃসহ স্মৃতি। বারবার ভেসে ওঠে ভয়াল সেই দৃশ্যপট। অনেকেই এখনও বয়ে চলেছেন গ্রেনেডের স্প্লিন্টার। সেই স্মৃতি মনে হলে, এখনও শিউরে ওঠেন তারা।

শেখ হাসিনার সমাবেশের শুরু থেকেই মঞ্চের খুব কাছে ছিলেন নেতাকর্মীদের একাংশ, বিশেষ করে নারী কর্মীরা। সমাবেশ শেষে হওয়ার কথা ছিল, শান্তিপূর্ণ র‍্যালি, আর তাই পরপর বিস্ফোরিত ১৩টি গ্রেনেডের স্প্লিন্টার থেকে রক্ষা মেলেনি তাদের অনেকের। যার ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন তারা।

দুঃসহ সেই স্মৃতি জানালেন নাসিমা ফেরদৌসী। তিনি বলেন, আমার পেটিকোটের ফিতে ছিঁড়ে পেটে ঢুকে যায় স্প্লিন্টার। পায়ের মাংসগুলি কেমন ছন্নছন্ন হয়ে যায়। চারিদিকে তাকিয়ে দেখি রক্ত আর রক্ত। এর পরেই আমি অজ্ঞান হয়ে যাই, জ্ঞান ফিরলেই দেখি আমি লাশের ট্রাকে।

বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ভয়াল সে গ্রেনেড হামলার আরেক সাক্ষী আমির হোসেন আমু। ঘটনার সময়, তখনকার বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার ট্রাকেই দাড়িয়ে ছিলেন তিনি। বলেন, ১৫ আগস্ট যারা বেঁচে গিয়েছিলেন তাদের হত্যার জন্যেই বারবার এমন হামলা করা হত।

রাজনীতির মাঠে অনেক সহিংসতার সাক্ষীই হয়ে থাকেন বিভিন্ন দলের নেতারা। কিন্তু, বর্বর এ গ্রেনেড হামলার মতো ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, শুধু তাদেরই ভোগায় না, উদ্বেগ বাড়ায় জনমনে।


অন্যান্য সংবাদ