রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী ৩ দিনে দেশের ৬ জেলায় বন্যার আশঙ্কা জুলাই আন্দোলনে ৬ জনকে হত্যা: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

ইউক্রেনের উদ্বাস্তু শিশুদের হাতে নিজের নামের পুতুল

রিপোর্টারের নাম : / ২২ জন দেখেছেন
আপডেট : August 2, 2022

যে দিকে চোখ যায় ধুলোয় ঢাকা, ধ্বংসস্তূপ। তার মাঝখানে গিয়ে পড়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আতঙ্কে শত শত ফ্যাকাসে মুখ, মহিলাদের কান্না, শিশুদের অভুক্ত জঠর বিচলিত করেছিল তাঁকে। পরিকল্পনামাফিক, উদ্বাস্তু শিশুদের হাতে হাতে তুলে দিয়েছিলেন ঘরে তৈরি পুতুল! বিনিময়ে তিনি যা পেলেন, তা আজও ভুলতে পারেননি। এক ভিডিও স্মৃতি হিসাবে তা ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

যুদ্ধের মধ্যে সে বার গিয়েছিলেন পোল্যান্ডে। ইউক্রেনের উদ্বাস্তু মহিলা আর শিশুরা কিছুটা নিরাপদে যখন সেখানে এসে পৌঁছেছেন, দেখা করেছিলেন তাঁদের সঙ্গে। প্রিয়জন হারানোর বুকফাটা কান্নার মধ্যেও অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কাকে দেখে খুশি হয়েছিলেন অনেকেই। শিশুদের পুতুল দেওয়ার সময় ওরাই নিজে থেকে বলে ওঠে, পুতুলগুলোর নাম প্রিয়ঙ্কা হলে কেমন হয়? যুদ্ধবিধ্বস্ত খুদে মুখগুলোয় ঝলমল করছিল আলো। সে দিকে তাকিয়ে চোখ ভিজে যায় প্রিয়ঙ্কার। হাতে তৈরি কাপড়ের পুতুলদের নাম হয় প্রিয়ঙ্কা।

দেখা যায়, ভিডিওতে এক মহিলার সঙ্গে কথা বলছেন অভিনেত্রী, যাঁর স্বামী, পরিবার পোল্যান্ড অবধি এসে পৌঁছতে পারেননি। তার আগেই যুদ্ধের গ্রাসে ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছেন। আপাত ফুলেল বিশ্বে তাঁরাই ভয়াবহ বাস্তব— সে দিন আরও এক বার উপলব্ধি করেন প্রিয়ঙ্কা।

ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখছেন, ‘যুদ্ধের বেশির ভাগ ক্ষত অদৃশ্য। সেগুলো আমরা সাধারণত খবরে দেখতে পাই না। তবুও, ওয়ারসতে আমার ইউনিসেফ মিশনের প্রথম দিনের স্মৃতি এতটাই স্পষ্ট।’


অন্যান্য সংবাদ