শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে সর্বোচ্চ ৩০ জনের মৃত্যু

ময়মানসিংহ প্রতিনিধি
আপডেট : আগস্ট ৬, ২০২১

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬ জন করোনায় এবং ১৪ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান। যা এই হাসপাতালে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

শুক্রবার (০৬ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মমেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. মহিউদ্দিন খান মুন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ইউনিটটিতে করোনায় মারা গেছেন- ময়মনসিংহের পাঁচজন, নেত্রকোনার ছয়জন, টাঙ্গাইলের দুজন, জামালপুরের দুজন এবং গাজীপুরের একজন।

তারা হলেন- ময়মনসিংহ সদরের সিরাজুল হক (৫৫), আবদুল সালাম (৮০), ভালুকার আব্দুল হামিদ (৭২), মুক্তাগাছার নুরুল হক (৮৪), আছিয়া খাতুন (১০০), নেত্রকোনা সদরের সাদেক হোসেন (৪৯), পুষ্পা (৩০), পূর্বধলার আব্দুল করিম (৫৫), আটপাড়ার মাহামুদুল হাসান (৬৫), কলমাকান্দার আব্দুল মজিদ (৬৭), মদনের মাহবুব (৬৫), টাঙ্গাইল আব্দুল সামাদ (৬৫), সখিপুরের সানোয়ার হোসাইন (৮৫), জামালপুর সদরের আবদুল মজিদ (৭০), হাজেরা বেগম (৬০) ও গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের সিরাজুল ইসলাম (৮৫)।

এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন- ময়মনসিংহের সাতজন, জামালপুরের দুজন, নেত্রকোনার তিনজন, শেরপুর ও সুনামগঞ্জের একজন করে রয়েছে।

তারা হলেন- ময়মনসিংহ সদরের শাহাব উদ্দিন (৫৭), আব্দুর রহিম (৭০), নান্দাইলের নজরুল ইসলাম (৭০), ফুলপুরের মুজিবুর রহমান (৬৫), তারাকান্দার হোসেন আলী (৬৫), নূরজাহান বেগম (৫৫), হালুয়াঘাটের সাইয়িদ আলী (৭৯), নেত্রকোনা পূর্বধলার সালেমা বেগম (৫৮), মদনের আছিয়া বেগম (৭৫), দূর্গাপুরের আব্দুর রশীদ (৬৫), জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ইমাম হোসেন (২৬), সরিষাবাড়ির মহেজা বেগম (৬৫), শেরপুর সদরের ফিরোজা খাতুন (৬৫) ও সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের সুধারঞ্জন সরকার (৫০)।

ডা. মহিউদ্দিন খান মুন আরও জানান, করোনা ইউনিটে বর্তমানে ৫২৫ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন ২৩ জন রোগী। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫১ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৭ জন।

এদিকে ময়মনসিংহ জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৭১১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪০২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় সর্বোচ্চ ১৯৩ জন ও ভালুকা উপজেলায় রেকর্ড ৭৫ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। জেলায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. নজরুল ইসলাম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ