রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
আপডেট : জুন ২২, ২০২২
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বুধবার (২২ জুন) সকালে সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪১ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিস জানিয়েছে, জেলার ৪৯টি ইউনিয়নে ৩১৯টি ৩৫ হাজার ৪০০ পরিবারের এক লাখ ৪১ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। তবে বেসরকারি সূত্রে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

১৫ হাজার ২০০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

সরকারি সূত্রে, নাগেশ্বরী উপজেলায় ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪০টি পরিবার আশ্রয় নেওয়ার কথা বলা হলেও এছাড়া বিভিন্ন স্কুল, উঁচু স্থান, বাঁধ ও সড়কে কয়েক হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় জেলার ৩২৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাময়িকভাবে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ করা হয়েছে। এরমধ্যে সদরে ১৮টি, ভুরুঙ্গামারীতে ৭টি, উলিপুরে ৫৮টি, চিলমারীতে ৩৮টি, নাগেশ্বরীতে ৭৯টি, ফুলবাড়ীতে ৬টি, রাজারহাটে ৩টি, রৌমারীতে ৬৮টি ও রাজীবপুরে ১৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসার মো. শামসুল আলম জানান, জেলায় ২৪টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৮টি মাদ্রাসা ও একটি কলেজ বন্যা কবলিত হওয়ায় পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। জেলায় সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক মো.রেজাউল করিম উলিপুরের বেগমগঞ্জের মশালের চর এলাকা পরির্দশন ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য সংবাদ