রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু ফিটনেসবিহীন গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে তুলে দিয়েছেন সালাহউদ্দিন: হাসনাত ক্ষমতায় বসে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে বিএনপি: জামায়াত আমির তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যানসার শনাক্তে স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ উজবেকিস্তানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন হুমায়ুন কবির পিস্তল হাতে ইশরাকের অভিযান নিয়ে রাশেদ খাঁনের ব্যাখ্যা ইশরাক ইস্যুতে আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান হুতিদের পাশে ইরান, মিলছে গোয়েন্দা সহায়তাও: প্রতিবেদন বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট আমলে জনগণের পাশে ছিলো ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’: রিজভী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

‘মার্কিন নৌবাহিনী না থাকলে জ্বালানি তেলের দাম তিন গুণ হতো’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ১০ জন দেখেছেন
আপডেট : October 18, 2026
‘মার্কিন নৌবাহিনী না থাকলে জ্বালানি তেলের দাম তিন গুণ হতো’

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ বেশি হতো বলে দাবি করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দাম কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের একটি টাউন হল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম অনেক বেশি।’ তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হলে পেট্রোলের দাম কমতে শুরু করবে বলে তিনি মনে করেন।

জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলাকে দায়ী করেন ভ্যান্স। তার ভাষায়, একটি দেশ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে, এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি।

ভ্যান্স বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ সচল রাখতে মার্কিন নৌবাহিনী কাজ না করলে পেট্রোলের দাম তিন গুণ বেশি হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি সেখান থেকে চলে যাই এবং ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দিই, তাহলে আপনাদের পেট্রোলের জন্য অনেক বেশি অর্থ খরচ করতে হবে।’

ভ্যান্স জানান, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার। পাশাপাশি ইরান যাতে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন না করে, সে বিষয়ে দেশটির কাছ থেকে যাচাইযোগ্য প্রতিশ্রুতি আদায় করাও ওয়াশিংটনের লক্ষ্য।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। এ পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।


অন্যান্য সংবাদ