বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

চকবাজারে আকর্ষনীয় বাহারী ইফতারীর বাজার

রিপোর্টারের নাম : / ৩০ জন দেখেছেন
আপডেট : March 24, 2023

পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে হরেক রকম ইফতার সামগ্রী নিয়ে দোকান সাজিয়েছেন পুরান ঢাকার দোকানিরা। এসব দোকানে ফালুদা, ফিরনি, লাবাং, মাঠা ও কলিজা ভুনাসহ মিলছে অজস্র ইফতার সামগ্রী। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ৭৮ বছর আগে শুরু হওয়া ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ এই বিশেষ খাবারের দোকান ঘিরে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ খাবারের চাহিদা যেন বেড়েই চলছে।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) চকবাজারের শাহী জামে মসজিদের সামনের ঐতিহ্যবাহী এ ইফতার বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

গত বছর ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। তবে এ বছর তা ২০০ টাকা বেড়ে কেজি প্রতি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

দোকানিরা বলছেন, ১২টি পদ যেমন- কোয়েলের মাংস ও কলিজা, খাসির কলিজা, মগজ ও দেশি মুরগির ডিম ও মশলার সংমিশ্রণে তৈরি হয় ‘বড় বাপের পোলায় খায়’৷ সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে শুরু করে বিক্রি হচ্ছে এই বিশেষ খাবার।

চকবাজারের শাহী জামে মসজিদের সামনে ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ বিক্রেতা মাহমুদ হোসেন বলেন, গত বছর আমরা ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি; এ বছর দাম ৮০০ টাকা। সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় এ খাবারের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দাম বাড়লেও বিক্রি কমেনি বলেও জানান তিনি।

লালবাগ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা শরীফ বলেন, ‘বড় বাপের পোলায় খায়’ একটি মুখরোচক খাবার। আমার পরিবারে মা-বাবা ও ভাই-বোনসহ সবাই এই খাবারটি পছন্দ করেন। পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে ইফতার করার সময় এই খাবারটি রাখতেই হয়। গত বছর ৬০০ টাকা দিয়ে কিনলেও এ বছর দাম বেশি নিচ্ছে।

কেরানীগঞ্জ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে আসা জুনাইদ আহমেদ বলেন, আমি কেরানীগঞ্জ থেকে ইফতার সামগ্রী কিনতে এসেছি। কিন্তু প্রতিটি আইটেম দাম অতিরিক্ত। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেক খাবার কিনতে পারছি না। যেভাবে সবকিছুর দাম বাড়ছে তাতে সামনে আরও সমস্যা হতে পারে। ১০০০ টাকা নিয়ে বাজারে এসেও তেমন কিছুই কিনতে পারিনি।


অন্যান্য সংবাদ