রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

রাজধানীর সড়কে-সড়কে বাড়ছে সাধারণের চলাচল ও ব্যক্তিগত পরিবহনও

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭২ জন দেখেছেন
আপডেট : July 29, 2021

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিকে সড়কে খুব বেশি মানুষের উপস্থিতি ছিল না। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, সড়কে মানুষের উপস্থিতি ততই বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে বিভিন্ন যানবাহনের চলাচলও। রাজধানীর কোথাও কোথাও যানজটও দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ঈদ পরবর্তী বিধিনিষেধের সপ্তম দিনে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

মানুষের উপস্থিতি থাকলেও প্রধান সড়কসহ অলিগলিতে নিত্যপণ্য ও ওষুধের দোকান ছাড়া অন্যান্য সব ধরনের দোকান বন্ধ ছিল। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ সড়কে প্রাইভেটকার, কার্ভাড ভ্যান, পিকআপ ভ্যান, রিকশা, সিএনজি আর ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল বেশি দেখা গেছে।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী শামীম আহমেদের সঙ্গে। তিনি বলেন, জরুরি সেবার আওতায় থাকায় আমাদের অফিস খোলা। তাই বিধিনিষেধ চলুক আমাদের বের হতেই হচ্ছে। শুরুর দিকে সড়কে তেমন মানুষ বের হয়নি। কিন্তু সড়কে মানুষের সরব উপস্থিতি। দিন যত যাচ্ছে, বাইরে মানুষের সংখ্যা ততই বাড়ছে।

রাজধানীর মালিবাগ এলাকায় কথা হয় রিকশা চালক রবিউলের সঙ্গে। তিনি বলেন, বিধিনিষেধ শুরুর প্রথম ৩/৪ দিন যাত্রীই পাইনি। এরপর থেকে মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অন্য কোনো গণপরিবহন না চলায় সবাই রিকশায় চলাচল করছে। মানুষ আর কয়দিন ঘরে থাকবে। জীবিকার তাগিদে মানুষ বের হচ্ছে।

কাকরাইল মোড়ে দাঁড়িয়ে তাকা হাসিব বলেন, বিধিনিষেধ চলছে, আবার অফিসও চালু রাখা হয়েছে। আমরা কিভাবে ঘরে থাকব? এমন অনেকে আছেন, যাদের কর্মক্ষেত্রের কারণে বাধ্য হয়ে বের হতে হচ্ছে। অফিস থেকে নিজস্ব পরিবহনে কর্মীদের আনা নেওয়ার কথা থাকলেও তা নেই। এই সুযোগে রিকশা চালকরা দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করছেন। সব বিপদ এসে পড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর।  যেহেতু রিকশা চলার অনুমতি আছে তাই রিকশা ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ।


অন্যান্য সংবাদ