রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী ৩ দিনে দেশের ৬ জেলায় বন্যার আশঙ্কা জুলাই আন্দোলনে ৬ জনকে হত্যা: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা নবম দিনে চা শ্রমিকদের ধর্মঘট

রিপোর্টারের নাম : / ১৭ জন দেখেছেন
আপডেট : August 21, 2022

সংকট কাটেনি চা শিল্পের। ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরি বাড়ানোর দাবিতে টানা নবম দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করছেন চা শ্রমিকরা। কিন্তু মালিকপক্ষ দাবি অনুযায়ী মজুরি না বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড়। ফলে চা শিল্পে একটি অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। রোববার (২১ আগস্ট) সকালে চা শ্রমিকদের কর্মবিরতি পালন করতে দেখা গেছে।

বারবার বৈঠক, মজুরি ২৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা ঘোষণা এবং চা শ্রমিক নেতাদের নমনীয়তার পরও সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের সাধারণ চা শ্রমিকরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যেতে অনড়। সরকার প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারা শ্রমিকের বাস্তব অবস্থা উপলব্ধি করে দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান। ৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে বিভিন্ন বাগানে বিক্ষোভ করছেন তারা।

এর আগে টানা কর্মবিরতির অষ্টম দিনের শেষে শ্রীমঙ্গলে শ্রম অধিদপ্তরে বৈঠকের পর কর্মবিরতি স্থগিতের কথা জানান নেতারা। ১৪৫ টাকা দৈনিক মজুরি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিবেচনার আশ্বাসে নেতারা এমন ঘোষণা দিলেও সাধারণ শ্রমিকরা তা প্রত্যাখ্যান করে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কাজে যোগ না দেবার সিদ্ধান্ত নেন।

এদিকে শনিবার (২০ আগস্ট) রাতেই নিজেদের বক্তব্য প্রত্যাহার করে শ্রমিকদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা জানান চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

সংকট দূর না হওয়ায় ব্যাপক লোকসানে পড়েছে চা শিল্প। ভরা মৌসুমে চা চয়ন ও প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ থাকায় বাগানেই নষ্ট হচ্ছে সতেজ চয়নযোগ্য চা পাতা। এতে ক্ষতি হচ্ছে শত কোটি টাকা। ব্যাপকভাবে ব্যাহত হবে চা উৎপাদন।


অন্যান্য সংবাদ