রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা: মেগা প্রকল্পেও সুফল নেই

রিপোর্টারের নাম : / ৪০ জন দেখেছেন
আপডেট : July 1, 2022

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করতে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হলেও এখনও এসবের সুফল মিলছে না। উল্টো বাড়ছে জলাবদ্ধ এলাকার সংখ্যা। এজন্য সঠিক পরিকল্পনারা অভাবকে দুষছেন নগরবাসী। তবে বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো বলছে, ভূমি অধিগ্রহণ করে প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ হলেই মিলবে সুফল।

চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকায় চারটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিটি করপোরেশন ও তিনটি সরকারি সেবা সংস্থা। ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। ‘কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-সিডিএ।

নগরীর ”বাড়ইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। আর, শাহ আমানত সেতু থেকে নেভাল একাডেমি এবং কালুরঘাট হতে মদুনাঘাট পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও ড্রেনেজ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে চট্টগ্রাম বন্দরের আপত্তিতে যার মাঠ পর্যায়ের কাজ এখনও শুরু হয়নি। এসব প্রকল্পের আওতায় নতুন খাল খনন ও পুরাতন খালের সংস্কার যেমন রয়েছে তেমনি জোয়ারের পানি নিয়ন্ত্রণে ৪০টি খালের মুখে স্লুইচগেট নির্মাণসহ রয়েছে বেশ কিছু পরিকল্পনা।

কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ, চট্টগ্রাম বন্দরের আপত্তি সহ নানান জটিলতায় ধীরগতিতে চলছে বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে নেয়া এসব প্রকল্পের কাজ। কোনটি কাজ শুরুর পর আটকে আছে, কোনটির মাঠপর্যায়ের কাজ শুরুই হয়নি। ফলে দুর্ভোগ কমছে না বন্দরনগরীর বাসিন্দাদের। সঠিক পরিকল্পনার অভাব ও সমন্বয়হীনতাকে দুষছেন তারা।

তবে জলাবদ্ধতা নিরসনে নেয়া প্রকল্পগুলো নিয়ে আশার বানী শোনালেন সংস্থাগুলোর কর্তাব্যাক্তিরা। প্রকল্পগুলোর তদারকিতে গঠিত কমিটির প্রধান ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন জানান, সকল সংস্থার কাজ সমন্বয় ও ভূমি অধিগ্রহণ দ্রুত শেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।


অন্যান্য সংবাদ