মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ

এফবিআই কার্যালয়ে অস্ত্র নিয়ে ‘ট্রাম্প সমর্থক’, গুলি খেয়ে মৃত্যু

রিপোর্টারের নাম : / ১৫ জন দেখেছেন
আপডেট : August 12, 2022

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই কার্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন এক বন্দুকধারী। সঙ্গে সঙ্গে বেজে ওঠে অ্যালার্ম বা সতর্ক ঘণ্টা। এজেন্টদের প্রতিক্রিয়ায় পালায় সে। পরে সেই এজেন্টদের হাতেই মৃত্যু হয় তার।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। সশস্ত্র ওই ব্যক্তি এফবিআই-এর সিনসিনাটি ব্যুরো অফিসে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। তাকে ট্রাম্পের সমর্থক বলে ধারণা করছেন তদন্তকারীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা জানান, নিহত বন্দুকধারী ৬ জানুয়ারির বিদ্রোহের আগের দিনগুলোতে ওয়াশিংটনে ছিল। হামলার দিন সে ক্যাপিটল হিলে উপস্থিত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই কর্মকর্তা জনসমক্ষে এর বেশি কিছু জানাতে রাজি হননি।

আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তার মতে, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে রিকি শিফার (৪২) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে ৬ জানুয়ারির হামলার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, এফবিআই-এর তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন শিফারের প্রাউড বয়েজসহ ডানপন্থী ও চরমপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে।

খবরে বলা হয়, ওই বন্দুকধারীর উপস্থিতি টের পেতেই অ্যালার্ম বেজে ওঠে এবং এফবিআইয়ের সশস্ত্র এজেন্টরা প্রতিক্রিয়া জানালে তিনি গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ গাড়িটিকে ধাওয়া করে শহরের একটি এলাকায় গিয়ে থামায়। গাড়ি থামার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়।

গার্ডিয়ান জানিয়েছে, পুলিশ ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে, কিন্তু তিনি আত্মসমর্পণে রাজি হননি। সন্দেহভাজন ব্যক্তি এরপর পুলিশের দিকে অস্ত্র তাক করলে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা গুলি চালান এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

এএফপি জানিয়েছে, এ ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ মাত্র কয়েকদিন আগেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল এফবিআই, যা তার উগ্র সমর্থকদের ক্ষুব্ধ করেছে। তাদের মধ্যে কেউ এ কাজ করতে পারে বলে ধারণা তদন্তকারীদের।


অন্যান্য সংবাদ