মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দূর্গা পূজায় এবার সরকারি ছুটি ৫ দিন! তৃতীয় দফা কমলো সোনার দাম  এবার ১০ এয়ারবাস কিনবে সরকার নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ভারতের রাষ্ট্রপতির রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে ওয়ার্নারের জোড়া শাস্তি ভারত সফর নিয়ে দিল্লির উত্তরের অপেক্ষায় ঢাকা বিয়ের খবর কি সত্যি? মুখ খুললেন পূজা লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড

এটা দুভার্গ্যজনক যে ১১ বছর ধরে তিস্তা চুক্তি আটকে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রিপোর্টারের নাম : / ৩৭ জন দেখেছেন
আপডেট : May 30, 2022
এটা দুভার্গ্যজনক যে ১১ ধরে তিস্তা চুক্তি আটকে আছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চলতি মাসেই বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে যৌথ কমিশনের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এতে আগামী জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত নিশ্চিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় তিস্তা চুক্তি।

আসামের গুয়াহাটিতে ‘নদী’ সম্মেলনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা ১১ বছর ধরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি করতে পারিনি। ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে আমাদের ৫৪টি নদী রয়েছে। আমরা সব নদীর যৌথ ব্যবস্থাপনায় ভাগাভাগি ও একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। উভয়পক্ষের পুরো অববাহিকা এলাকার মানুষের মঙ্গলের জন্য যৌথ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি একটি লজ্জার বিষয়, আমরা প্রস্তুত ছিলাম, তারা প্রস্তুত ছিল, তবুও চুক্তি হয়নি। ভবিষ্যতে পানির জন্য বড় ধরনের হাহাকার হবে এবং আমাদের এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

তিস্তা নদী তিস্তা কংশে হিমবাহে উৎপন্ন হয়েছে এবং বাংলাদেশে প্রবেশের আগে সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ১৯৪৭ সাল থেকে তিস্তার ক্যাচমেন্ট এলাকাগুলো ভারতকে বরাদ্দ করার পর থেকে এটি দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

২০১১ সালে তিস্তার পানি ৩৭.৫ শতাংশ শেয়ার করতে রাজি হয়েছিল ভারত। আর ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে পানি স্বল্পতার মৌসুমে ৪২.৫ শতাংশ পানি ধরে রেখেছিল দেশটি। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বিরোধিতার কারণে চুক্তিটি কখনই হয়নি। এছাড়া সিকিমের তিস্তা বরাবর বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশে পানি স্বল্পতার মৌসুমে আরও কম পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আসাম ও বাংলাদেশ একই সময়ে বন্যার সম্মুখীন হয়েছে। আমাদের পানি নিষ্কাশনের প্রযুক্তির বিষয়ে আরও সহযোগিতা করতে হবে, যৌথভাবে বন্যার আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, নদীর যৌথ ব্যবস্থাপনা উভয় দেশের জন্যই লাভজনক।


অন্যান্য সংবাদ