মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হামলা বন্ধের শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব সৌদির ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করেছে: রিজভী জাপানে এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাকে কবর দিতে বাধা, এর পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে: জাহেদ উর রহমান সাগর-রুনি হত্যা: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতা মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফসহ ৪ জনের রায় বৃহস্পতিবার ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্যখাতের অগ্রযাত্রা শুরু করেছে সরকার: রাষ্ট্রপতি ফাইনালের সমীকরণ চাপ নয়, বাংলাদেশকে দিচ্ছে অনুপ্রেরণা: শান্ত আইজিপির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে যাবে যুবদল: রিজভী জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপা‌নের দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আইজিপির বক্তব্য আতঙ্কজনক : মামুনুল হক ২২ বছরে ‘কথিত বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২ হাজার ৯৫৭ জন

সাগর-রুনি হত্যা: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩ জন দেখেছেন
আপডেট : October 27, 2026
সাগর-রুনি হত্যা: জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতার কথা উঠে এসেছে টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের বরাতে এ তথ্যসংবলিত প্রতিবেদন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) হাইকোর্টে উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত থেকে র‍্যাবকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। পরে টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে অবকাশকালীন ছুটি থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এরপর ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর ও চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল তিন দফায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে আরও ছয় মাস করে সময় দেওয়া হয়। তার ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনটি আবার কার্যতালিকায় ওঠে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা। একই বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর।
দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব)। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।

এদিকে, এ মামলায় বাদীপক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

২০১২ সালে হত্যাকাণ্ডের পর তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তার নিয়ে জনস্বার্থে রিট করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ। সেই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি জারি করা রুলে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের খুনিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চান হাইকোর্ট।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, সাগর-রুনি মামলার তদন্ত সঠিকভাবে করা এবং আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য ২০১২ সালে তারা একটি রিট দায়ের করেছিলেন। সেই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেছিলেন। রুলে সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের পৃথক একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত র‍্যাবের কাছে চলে যায়।


অন্যান্য সংবাদ