রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী ৩ দিনে দেশের ৬ জেলায় বন্যার আশঙ্কা জুলাই আন্দোলনে ৬ জনকে হত্যা: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

সুদের হার কমালেন এরদোগান

রিপোর্টারের নাম : / ১৭ জন দেখেছেন
আপডেট : August 19, 2022

একদিকে মুদ্রাস্ফীতি ৮০ শতাংশের বেশি অন্যদিকে লিরার দামও সমানে কমছে। তার পরও ফের সুদের হার কমালো তুরস্ক।

তুরস্কের সেন্ট্রাল ব্যাংক বৃহস্পতিবার সুদের হার ১৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৩ শতাংশ করেছে। সেন্ট্রাল ব্যাংকের যুক্তি, ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি কমেছে বলে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যদিও মার্কিন ডলারের তুলনায় তুরস্কের লিরার দাম সমানে কমছে। গত ১২ মাসে দাম কমে অর্ধেক হয়েছে। গত পাঁচ বছরের হিসাব ধরলে লিরার দাম ডলারের তুলনায় ছয়গুণ কমেছে।

জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তুরস্কের মানুষ অনেক বেশি চিন্তিত মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে। এখন মুদ্রাস্ফীতির হার হলো ৮০ শতাংশ। এই বছরের শেষে তা আরো বাড়তে পারে।

খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট এরদোগানের নির্দেশে তুরস্ক এইভাবে সুদের হার কমাচ্ছে। এরদোগান বিশ্বাস করেন, সুদের হার কমালে মুদ্রাস্ফীতি কমে।

যদিও বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিবিদদের ধারণা একেবারেই উল্টো। তারা মনে করেন, এরকম পরিস্থিতিতে সুদের হার কমালে তা মুদ্রাস্ফীতি আরো বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু এরদোগান নিজের অভিমত থেকে সরে আসতে রাজি নন।

তিনি সেন্ট্রাল ব্যাংককে তার নীতি অনুসরণ করার জন্য জোরাজুরি করেন। ২০১৯-এর পর থেকে সেন্ট্রাল ব্যাংকের তিনজন প্রধানকে তিনি বদল করেছেন। আগামী বছর জুনে নির্বাচন। এরদোগান এর আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, দ্রুত আর্থিক উন্নয়ন করবেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছরও সেন্ট্রাল ব্যাংক একাধিকবার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে সুদের হার কমিয়েছে। তার প্রভাব মুদ্রাস্ফীতি ও লিরার দামে পড়েছে।


অন্যান্য সংবাদ