রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী ৩ দিনে দেশের ৬ জেলায় বন্যার আশঙ্কা জুলাই আন্দোলনে ৬ জনকে হত্যা: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সম্পর্ক ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ৫৫ জন দেখেছেন
আপডেট : November 17, 2021

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ১১ মাসের মাথায় প্রথমবারের মতো চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জো বাইডেন। সোমবার (১৬ নভেম্বর) ভার্চ্যুয়ালি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় নেতা এমন এক সময়ে এই বৈঠকে বসলেন যখন তাইওয়ান, হংকং এবং উইঘুরদের সাথে বেইজিংয়ের আচরণ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে।

ভার্চ্যুয়াল এই বৈঠকে অংশ নিয়ে জো বাইডেন এবং শি জিনপিং তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বৈঠকে বৈশ্বিক এই দুই পরাশক্তি নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযাগ ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বললেও সংঘাতের ব্যাপারে সুরও চড়িয়েছে।

বৈঠকের পর মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দেন যে, স্বাধীনতা অর্জনের জন্য তাইওয়ানকে উৎসাহিত করা বা সামনে ঠেলে দিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। এবং তাইওয়ান ইস্যুতে নিজেদের নীতিও পরিবর্তন করবে না ওয়াশিংটন। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে রুশ সংবাদমাধ্যম স্পুটনিক।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ‘আমরা কোনোভাবেই আমাদের নীতি পরিবর্তন করবো না। (স্বাধীনতার ব্যাপারে) তাইওয়ানকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা নেব না। স্বাধীনতার ব্যাপারে আমরা উৎসাহ দেবো না। তবে তাইওয়ান চুক্তি মেনে চলার ব্যাপারে আমরা বলতে পারি।’

১৯৭৯ সালের তাইওয়ান চুক্তি বা ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ অনুযায়ী, কূটনৈতিক সম্পর্কের দিক থেকে তাইপের বদলে বেইজিংকে প্রাধান্য দেবে ওয়াশিংটন। এর বদলে চীন তাইওয়ানে অস্থিরতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকবে এবং তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ শান্তিপূর্ণভাবে নির্ধারিত হবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার অঙ্গরাজ্যে জো বাইডেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা খুব পরিষ্কারভাবে বলেছি যে- আমরা তাইওয়ান চুক্তি সমর্থন করি এবং এটিই (মূল কথা)।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘তারা (তাইওয়ান) স্বাধীন। তারা নিজেরাই তাদের সিদ্ধান্তগুলো নেবে।’

এর আগে সোমবার এই চীনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় ধরে চলা ওই বৈঠকটি সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের পর চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শি জিনপিং বাইডেনকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন— তাইওয়ানের স্বাধীনতায় উৎসাহ দেওয়া হলে তা আগুন নিয়ে খেলার মতো হবে।

‌‘যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মানুষ চীনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য তাইওয়ানকে ব্যবহার করতে চায়। এই প্রবণতা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং এটি আগুন নিয়ে খেলার মতোই। যারা আগুন নিয়ে খেলবে, তারা পুড়ে যাবে।’ শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন, বলছে সিনহুয়া।

অন্যদিকে এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানায়, ‘তাইওয়ানের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জোর দিয়ে বলেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র… তাইওয়ানের মর্যাদার পরিবর্তন অথবা তাইওয়ান প্রণালীজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার একতরফা প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করে।’

বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের তাইওয়ানের স্বাধীনতার স্বীকৃতি না দেওয়ার নীতির পুনরাবৃত্তি করা হলেও এই দ্বীপের প্রতিরক্ষায় সমর্থন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, বৈঠকে তাইওয়ানের বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

 


অন্যান্য সংবাদ