সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী ৩ দিনে দেশের ৬ জেলায় বন্যার আশঙ্কা জুলাই আন্দোলনে ৬ জনকে হত্যা: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

তাইওয়ান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে যুদ্ধ শুরু হবে: চীন

রিপোর্টারের নাম : / ২৮ জন দেখেছেন
আপডেট : June 11, 2022

তাইওয়ান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে চীন যুদ্ধ শুরু করতে দ্বিধা করবে না বলে হুমকি দিয়েছে বেইজিং। চীনের এই হুমকিকে উসকানিমূলক বলে মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সিঙ্গাপুরে নিরাপত্তা সম্মেলন ‘সাংগ্রিলা ডায়ালগের’ ফাঁকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা বৈঠকে বসেন। এ বৈঠক থেকেই যুদ্ধের হুমকি দেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী য়েই ফেংহে বলেন, “যদি কেউ চীন থেকে তাইওয়ানকে বিভক্ত করার সাহস করে, তবে চীনা সেনাবাহিনী অবশ্যই যুদ্ধ শুরু করতে দ্বিধা করবে না, যে মূল্যই দিতে হোক না কেন।”

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, বেইজিং তাইওয়ানের স্বাধীনতার যেকোনো চক্রান্ত নস্যাৎ করবে এবং মাতৃভূমির একত্রীকরণকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে। তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চীনকে দমন করার বিষয়টি সফল হতে দেয়া হবে না।

চীনের এই বক্তব্যকে উসকানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন মনে করেন, ‘চীনের এই আচরণ ইন্দো-প্যাসিফিকের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য হুমকিস্বরূপ।’

তাইওয়ান নিয়ে ক্ষমতাধর দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বন্দ্বের । চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে সাক্ষাতে এই সতর্কবার্তা দেন। খবর এএফপির।

বেইজিং তাইওয়ানকে তার অংশ হিসেবে দেখে। তারা তাইওয়ানকে ধরে রাখতে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের কথাও জানিয়েছে। স্বশাসিত এই দেশটিকে কেন্দ্র করে মার্কিন-চীন উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। এই উত্তেজনার প্রেক্ষিতে বৈঠকে বসেছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকেরা। তবে বৈঠকে কোনো সমাধান আসেনি।


অন্যান্য সংবাদ