রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮ আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: দেশের প্রায় ৪৭ শতাংশ পরিবার ঋণগ্রস্ত দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু ফিটনেসবিহীন গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে তুলে দিয়েছেন সালাহউদ্দিন: হাসনাত ক্ষমতায় বসে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে বিএনপি: জামায়াত আমির তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যানসার শনাক্তে স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ উজবেকিস্তানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন হুমায়ুন কবির পিস্তল হাতে ইশরাকের অভিযান নিয়ে রাশেদ খাঁনের ব্যাখ্যা ইশরাক ইস্যুতে আইনের ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান হুতিদের পাশে ইরান, মিলছে গোয়েন্দা সহায়তাও: প্রতিবেদন বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট আমলে জনগণের পাশে ছিলো ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’: রিজভী সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ৭টি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

উখিয়ায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত বেড়ে ১০

অনলাইন ডেস্ক / ২২ জন দেখেছেন
আপডেট : October 17, 2026
উখিয়ায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত বেড়ে ১০

কক্সবাজারের ইনানীতে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে দশ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা পর্যটক বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মরদেহ পুড়ে যাওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্তে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) ও ফায়িজান আহম্মেদের (৫) পরিচয় এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত বাকি মরদেহগুলোর পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও রিসোর্টে থাকা পর্যটকরা জানান, আগুন লাগার পর ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত পর্যটকেরা হুড়োহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় কয়েকজন বের হতে পারলেও অন্যরা রিসোর্টের ভেতরে আটকা পড়েন।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, খবর পেয়ে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। সকাল ৯টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রিসোর্ট থেকে দশজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় আরও নয়জনকে। তাদের মধ্যে সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের সময় ছয়টি কক্ষে ১৮ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন। রেফ্রিজারেটরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রিসোর্টটির বেশির ভাগ অংশ কাঠ দিয়ে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভবনের পেছনের অংশ ইট দিয়ে নির্মিত। প্রতিটি কক্ষে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) ও রেফ্রিজারেটর থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বেড়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

এ দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনায় কোনও ধরনের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান।

তিনি বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি রিসোর্টটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে পুলিশ অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও সার্বিক পরিস্থিতি তদন্ত করছে।


অন্যান্য সংবাদ