রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
VACANCY ANNOUNCEMENT যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ সিন্ধুর পানি ইস্যুতে প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হবে : খাজা আসিফ ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য সরকারের: বাণিজ্যমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম দ. কোরিয়ার সাবেক মন্ত্রীর ২৫ বছরের কারাদণ্ড ১০টি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল চীন কানাডার কাছে উন্নত রাডার বিক্রির চুক্তি স্বাক্ষর অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ আগামী ৩ দিনে দেশের ৬ জেলায় বন্যার আশঙ্কা জুলাই আন্দোলনে ৬ জনকে হত্যা: ইনুর মামলার রায় ৩০ জুন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

আফগানিস্তানে বিস্ফোরণে নিহত ১৪

রিপোর্টারের নাম : / ২৮ জন দেখেছেন
আপডেট : May 26, 2022

আফগানিস্তানে একটি মসজিদসহ চার জায়গায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৪ জনের প্রাণ গেছে। এদের মধ্যে কাবুলের মসজিদে বিস্ফোরণে কমপক্ষে পাঁচজন মুসল্লি এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলে মিনিভ্যানে তিনটি বোমা বিস্ফোরণে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছ, কাবুলে তালেবান পুলিশের মুখপাত্র খালিদ জারদান জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যায় চারাই ট্রাফিক এলাকার একটি মসজিদের কাছে বিস্ফোরণ ঘটে। ‘মাগরিবের নামাজের সময় লোকজন যখন মসজিদের ভেতরে ছিলেন তখনই এই বিস্ফোরণটি ঘটে।’

এ বিষয়ে প্রাদেশিক নিরাপত্তা বিভাগের মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিফ ওয়াজিরি জানিয়েছেন, মাজার-ই-শরিফের পুলিশ ডিস্ট্রিক্ট (পিডি) ৫-এ প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে, এরপর পিডি-১০-এ পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে। গণপরিবহনকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণগুলো ঘটানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কাবুলের জরুরি হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, তারা মসজিদের বোমার ঘটনায় পাঁচজন নিহত ছাড়াও আরও ১৭ জন আহত ব্যক্তিকে ভর্তি করেছে।

এদিকে বালখ প্রদেশে তালিবান নিযুক্ত মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিফ ওয়াজিরি জানিয়েছেন, উত্তরাঞ্চলের মাজারে শরিফ শহরে মিনিভ্যানের ভেতরে বিস্ফোরক রাখা হয়। ওই বিস্ফোরণে নয় জন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মাজারে শরিফে হতাহতের মধ্যে প্রায় সকলেই সংখ্যালঘু শিয়া মুসলমান।

এসব বিস্ফোরণের দায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ স্বীকার করেনি। তবে আইএস এই হামলা চালাতে পারে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা।

২০১৪ সাল থেকে আইএস আফগানিস্তানে তাদের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে এবং তালেবান শাসকদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।


অন্যান্য সংবাদ