গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদরাসায় শিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় পুলিশ শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং কোনো অভিযানও পরিচালনা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে এমনটা জানান তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘গাজীপুর পুলিশ কমিশনারের সাথে আমি কথা বলেছি। টঙ্গীর মাদরাসার ঘটনায় শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার করার কোনো সিদ্ধান্ত পুলিশ নেয়নি এবং পুলিশ কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি।’
পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকেও গ্রেপ্তারের কোনো পরামর্শ পুলিশকে দেয়া হয়নি। কতিপয় মিডিয়াতে শাহজালাল রুমির গ্রেপ্তারের অভিযানের বিষয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।’
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে। শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, মাদরাসার শিক্ষক মোসলেম আহম্মদ শিশুটির সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, সম্প্রতি মাদরাসার নিচতলার সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ওই ঘটনায় শিশুটির পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওই সময় ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি অভিযুক্ত শিক্ষককে চড় মারেন। পরে উপস্থিত জনতাও ওই শিক্ষককে মারধর করেন। একপর্যায়ে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ওই শিক্ষককে উদ্ধার করে এবং পরে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভাঙচুর ও টাকা লুটের অভিযোগে মাদরাসা কর্তৃপক্ষও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছে।