বন্দরকেন্দ্রিক উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জানান, তৈরি হবে নতুন শিল্পাঞ্চল, বাড়বে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে বন্দর উন্নয়নকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর) সকালে বাগেরহাটের মোংলায় চীনের রাষ্ট্রয়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন।
একইসঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করে সরকার। বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রথম ধাপ। বন্দরের প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে শেষ হলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। শুধু এই অঞ্চলের নয়, সারা দেশের উন্নয়ন হবে। বন্দরের সব কাজে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে।’
মোংলা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘নতুন উদ্যোক্তারা যাতে এই অঞ্চলে শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে পারে সেই লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ে এই অঞ্চলে বিদ্যুৎ এর পাশাপাশি কীভাবে গ্যাস সরবারহ করা যায় সেই চেষ্টা করছে সরকার। এরইমধ্যে কাজ শুরু করা হয়েছে। মোংলা থেকে দেশের শেষ প্রান্ত পঞ্চগড় পর্যন্ত ইন্ডস্ট্রিয়াল বেল্ট গড়ে তোলার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও সিআরসিসির মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।